সিলেটে টেস্টে প্রথম দিনেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ

post-title

ছবি সংগৃহীত

এম এ মতিন :: সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই আলোচনায় উঠে আসে উইকেট। কেননা, বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যকার সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের উইকেট প্রস্তুত করা হয় সবুজ ঘাসের আভায়। প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে পাকিস্তানকে সিরিজ হারাতেই এমন কৌশল অবলম্বন করে বাংলাদেশ। কিন্তু দুর্ভাগ্য টাইগারদের। প্রথম দিনেই নিজেদের ফাঁদে পড়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে তারা।

শনিবার (১৬ মে) সিলেটে টস ভাগ্য জিতেন পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। সবুজাভ উইকেটে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়নি তাকে। তার আমন্ত্রণেই বিপাকে বাংলাদেশ দল। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্বাগতিকদের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ২০৬ রান। লিটন দাস ৫৩ এবং তাসকিন আহমেদ ৭ রানে ব্যাট করছিলেন।

দিনের প্রথম দুই সেশনে ৩টি করে মোট ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শেষ সেশনের শুরুতে হারায় আরেকটি। সাজঘরে ফেরা সাত ব্যাটারের কেউ পেরুতে পারেনি ৩০ রান। উইকেটে টিকে থাকা লিটনের ব্যাটে কার্যত ২০০ ছাড়িয়ে যায় স্বাগতিকরা।

বাংলাদেশ টেস্টের প্রথম সকাল শেষ করে ৩ উইকেটে ১০১ রান নিয়ে। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়। দলের রানের খাতা খোলার আগেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হন তিনি। সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে থামেন তানজিদ হাসান তামিম (২৬) এবং মুমিনুল হক (২২)। তানজিদ আব্বাসের দ্বিতীয় শিকার হন। মুমিনুলের উইকেট নেন খুররাম শেহজাদ।

নাজমুল হোসেন শান্ত, যিনি মিরপুর টেস্ট জয়ের কারিগর ছিলেন, সিলেটে থামেন ২৯ রানে। টাইগার অধিনায়কও আব্বাসের শিকার বনেন। দ্বিতীয় সেশনে শান্তর পর মাঠ ছাড়েন মুশফিকুর রহিম (২৩) এবং মেহেদি হাসান মিরাজ (৪)। দুজনকেই আউট করেন খুররাম শেহজাদ। অর্থাৎ দিনের প্রথম দুই সেশনে দুই পাকিস্তানি পেসার কঠিন করে তুলে টাইগারদের জীবন।

চা-বিরতির পর পথ হারান তাইজুল ইসলাম। তাকে বোল্ড করে শিকারির খাতায় নাম যোগ করেন সাজিদ খান। এখন তাসকিনকে সঙ্গে নিয়ে দলকে টানছেন লিটন।


এসএ/সিলেট