জগন্নাথপুরের হাওরে হাওরে পানি, কৃষকরা...
সানোয়ার হাসান সুনু, জগন্নাথপুর থেকে: সুনামগঞ্জের বৃহৎ শষ্যভান্ডার হিসাবে খ্যাত জগন্নাথপুর উপজেলার নলুয়া হাওর,মই হাওর ও পিংলার হাওর সহ ছোটবড় ১৫টি...
ছবি সংগৃহীত
সুনামগঞ্জের ছাতকে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে ছাতক থানা পুলিশ। এসময় লুণ্ঠিত নগদ টাকা, দেশীয় অস্ত্র ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মে রাত আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিট থেকে ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত ছাতক উপজেলার ১৩নং ভাতগাঁও ইউনিয়নের শক্তিয়ারগাঁও গ্রামের দারাখাই কুন্দানালা ব্রিজের দক্ষিণ পাশে ডাবর-জগন্নাথপুর আঞ্চলিক সড়কে একটি পিকআপ ভ্যানের গতিরোধ করে ৮/১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল।
এসময় তারা পিকআপের সামনের ও পাশের গ্লাস ভাঙচুর করে গাড়িতে থাকা জগন্নাথপুরের হাবিব ভ্যারাইটিজ স্টোরের কর্মচারীদের মারধর ও প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে নগদ ২ লাখ ৬ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
ঘটনার শিকার হন দোকানের কর্মচারী স্বপন দাস, চালক স্বদেব দাস ও প্রান্ত দাস। পরে দোকানের মালিক মো. মতিউর রহমান বাদী হয়ে ছাতক থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি রুজুর পর তদন্তভার দেওয়া হয় এসআই শেখ মো. মিরাজের উপর।
পুলিশ সুপার সুনামগঞ্জের সার্বিক দিকনির্দেশনায়, সহকারী পুলিশ সুপার ছাতক সার্কেলের তত্ত্বাবধানে এবং ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে জাউয়াবাজার তদন্ত কেন্দ্রের একটি চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটে ভাতগাঁও ইউনিয়নের ভমভমি বাজার এলাকা থেকে ডাকাত দলের সদস্য মো. আজির উদ্দিন ও মো. হোসাইন আহম্মদকে গ্রেফতার করা হয়।
পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শান্তিগঞ্জ উপজেলার ইশাকপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাতির সময় ব্যবহৃত একটি রামদা, একটি তলোয়ার, একটি মুখোশযুক্ত হুডি জ্যাকেট এবং লুণ্ঠিত টাকার মধ্যে নগদ ২৯ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে কাঠের হাতলযুক্ত প্রায় ২৪ ইঞ্চি লম্বা একটি রামদা ও ২৩.৬ ইঞ্চি লম্বা একটি তলোয়ার। এছাড়া একটি কালো-লাল রঙের মুখোশযুক্ত হুডি জ্যাকেটও জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এসএ/সিলেট