কমলগঞ্জের বন্যার কোথাও উন্নতি, কোথাও অবনতি

post-title

ছবি সংগৃহীত

টানা বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ধলাই নদীর সীমান্তবর্তী মখাবিল এলাকায় প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।

তবে নিম্নাঞ্চলের মুন্সীবাজার ও পতনঊষার ইউনিয়নে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পতনউষার-তারাপাশা সড়ক নিমজ্জিত হয়েছে।

পানির স্রোতে আউশক্ষেত, টমেটোসহ শাকসবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

কমলগঞ্জের মখাবিল এলাকায় ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের প্রায় ১০০ মিটার ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ে। প্রবল স্রোতে রাস্তাঘাট ও অনেক বাড়িঘর তলিয়ে যায়। শুক্রবার উজানে পানি কমতে থাকলেও নিম্নাঞ্চলের তিনটি ইউনিয়নের প্রায় ৩ হাজার মানুষ নতুন করে পানিবন্দি হয়ে পড়েন। যোগাযোগ ও অবকাঠামো বন্যায় কমলগঞ্জের অভ্যন্তরীন অনেক রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। পতনঊষার-তারাপাশা সড়ক নিমজ্জিত হয়েছে।

আদমপুর ইউনিয়নের এক টমেটো চাষী জানান, আদমপুর এলাকা ড্রাফটিং টমেটো চাষের জন্য বিখ্যাত। আকস্মিক বন্যায় এই এলাকার টমেটো চাষীদের কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এছাড়া অনেক আউশক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় এবং পানির স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ভারতীয় বিএসএফ’র বাঁধার কারনে মখাবিল এলাকায় ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ মেরামত করতে পারেনি পানি উন্নয়ন বোর্ড। ফলে নদী ভরাট হলেই মকাবিল এলাকায় বাঁধ ভেঙ্গে বন্যার সৃষ্টি হয়। বন্যার এই পানি বর্তমানে নিম্নাঞ্চলের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ফলে পতনউষার ও মুন্সিবাজার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, কমলগঞ্জে ধলাই নদীতে পানি কমছে এবং বন্যার উন্নতি হচ্ছে। তবে নিম্নাঞ্চলের দিকে পানি নামায় দু’তিনটি ইউনিয়নের কিছুটা অবনতি হচ্ছে। বৃষ্টিপাত না হলে দু’একদিনের মধ্যে সম্পূর্ণ উন্নতি হবে।

এসএ/সিলেট