ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বসে থাকলে হবে না, কাজ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী

post-title

ছবি সংগৃহীত

ফ্যামিলি কার্ড ও অন্যান্য কার্ডের ভাতার ওপর নির্ভর করে বসে থাকলে হবে না, কৃষিকাজ, হাঁস-মুরগি, গরুর খামারের মত অন্যান্য আয়বর্ধক কাজ করে জীবনমান উন্নত করতে হবে।

প্রত্যেকের দুটি হাতকে শ্রমিকের হাতে রূপান্তর করে উৎপাদনমুখী কাজ করতে হবে।

শনিবার সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা মিলনায়তনে ২য় পর্যায়ের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপজেলার নিজপাঠ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ৪৬৫ জন নারীকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়। এ অনুষ্ঠানকে চাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানের সাথে অনলাইনে সংযুক্ত করা হয়।

মন্ত্রী কৃষক কার্ড, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ, স্কুলের শিক্ষাবাতা, ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণসহ সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য সুযোগ সুবিধা প্রবাসী কার্ড বিতরণ শুরু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এর পূর্বে সকালে গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল কলেজে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন শ্রমমন্ত্রী। এ সময় তিনি কলেজের মাঠ উন্নয়ন এবং সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য তিনি গোয়াইনঘাটে একটি ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার আশ্বাস দেন। এ প্রতিষ্ঠানে কর্মমুখী শিক্ষার পাশাপাশি জাপানি, কোরিয়ান, আরবি ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষা প্রশিক্ষণ চালুর পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী আরো বলেন, "এলাকার উন্নয়ন হচ্ছে চলমান কাজ। উন্নয়ন কাজ আটকে থাকবে না,ধারাবাহিকভাবে হবে। আমাদেরকে শিক্ষিত ও দক্ষ শ্রমিক তৈরিতে গুরুত্ব দিতে হবে। তবেই দেশে শিক্ষিত বেকারত্বের সংখ্যা ও বিদেশে গিয়ে কাজ না পাওয়ার হতাশা ও বিভিন্ন রকম হয়রানি থেকে শ্রমিকরা মুক্তি পাবে। মন্ত্রী বলেন তার জন্য আমি অন্ততপক্ষে চারটি ইংরেজি আরবি জাপানি ও কোরিয়া ভাষা শিখতে প্রশিক্ষণের জন্য ট্রেনিং সেন্টারের ব্যবস্থা করবো।"

পরে তিনি একই উপজেলার পিয়াইন নাতারখাল ইস্তি ব্রিজ হতে সাকেরপকের খাল ভরাং পর্যন্ত পুণঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন।

এসএ/সিলেট