শুক্রবার সিলেট বিমানবন্দরে সংবর্ধনা

কাতারে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় সিলেটের নাজমুস সাকিবের বড় অর্জন

post-title

ছবি সংগৃহীত

কাতারের রাজধানী দোহায় অনুষ্ঠিত শেখ জাসিম বিন মুহাম্মদ বিন থানি আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ২য় স্থান অর্জন করেছেন সিলেটের কৃতি শিক্ষার্থী, কোরআনের পাখি হাফিজ নাজমুস সাকিব।

কাতার চ্যারিটির সহযোগিতায় ইমাম মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহহাব মসজিদে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চূড়ান্ত পর্বে আট দেশের ৩০ জন প্রতিযোগী অংশ নেন।

বিজয়ী নাজমুস সাকিব সিলেট নগরের কদমতলী এলাকার গোটাটিকরস্থ রহীমিয়া হিফযুল কুরআন একাডেমির শিক্ষার্থী। কাতারের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে তিনি আগামীকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিলেটে এসে পৌঁছবেন। এসময় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন একাডেমির পরিচালক মিসবাহ উজ্জামান।

জানা যায়, প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা গত ৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়। এতে ২০ দেশের তিন শর বেশি প্রতিযোগীর মধ্য থেকে কয়েক ধাপের বাছাই ও পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত পর্বের জন্য নির্বাচিত হন আট দেশের ৩০ জন প্রতিযোগী। প্রতিযোগিতায় সম্পূর্ণ কোরআন হিফজ, শেষ ২০ পারা এবং শেষ ১০ পারা তেলাওয়াত এই তিনটি বিভাগ রাখা হয়। প্রতিযোগিতা শেষে মোট ৯ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নাজমুস সাকিবের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গোটাটিকরস্থ রহীমিয়া হিফযুল কুরআন একাডেমির পরিচালক মিসবাহ উজ্জামান বলেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা ও মর্যাদা সমুন্নত করে এই অসাধারণ অর্জন নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়। এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে তার মায়ের দোআ’ ও ত্যাগ, সম্মানিত উস্তাদদের অক্লান্ত মেহনত ও তালীম-তারবিয়াত এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ।

তিনি বলেন, আল্লাহ তার মাকে উত্তম প্রতিদান, সুস্থতা ও নেক হায়াত দান করুন। তার প্রয়াত পিতাকে পূর্ণ মাগফিরাত করে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন। তার সকল উস্তাদ ও মুরব্বিদের মেহনত কবুল করে উত্তম প্রতিদান দান করুন এবং হাফিজ নাজমুস সাকিবকে আজীবন কুরআনের খেদমতের জন্য কবুল করুন। আল্লাহ তাকে ইলম, আমল ও হিফজে বরকত দান করুন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে সফল করুন, আ-মিন।

এসএ/সিলেট