ডেঙ্গু প্রতিরোধে জকিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন

post-title

ছবি সংগৃহীত

জকিগঞ্জ প্রতিনিধি :: ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার মধ্যে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছে সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা কমপ্লেক্স এলাকায় সমন্বিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সরকারের দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমে অংশ নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌরসভার প্রশাসক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজিত কুমার চন্দ।

এ সময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বিনয় ভূষণ দাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ শুভ্র, উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ধীময় বিশ্বাস, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা

জামায়াতের আমীর মাওলানা জালাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সারওয়ার হোসেন, জকিগঞ্জ প্রেসক্লাব সেক্রেটারি এনামুল হক মুন্না, কোষাধ্যক্ষ কে এম মামুন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইমরান হোসেইন, জকিগঞ্জ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি শামীম আহমদ, সহ সভাপতি মুনিরুল ইসলাম রাজন, কোষাধ্যক্ষ কে আই বুলবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আল আমিন, আলতাব হোসেন, সাবুল আহমদসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানে ফায়ার সার্ভিস, স্কাউট, জকিগঞ্জ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি, স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশ নেন। এলাকার বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার, পানি জমে থাকার সম্ভাব্য স্থানগুলো চিহ্নিত করা এবং মশার বংশবিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

ইউএনও জানান, ডেঙ্গুর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখতে নাগরিকদেরও নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৫৯ হাজার ১৪৭ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৭৬ জনের। শুধু ১৮ সেপ্টেম্বরের ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭৪৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এ অবস্থায় ডেঙ্গুর অন্যতম বাহক এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বাসাবাড়ি ও আশপাশের জমে থাকা পানি অপসারণ এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপর জোর দিচ্ছে প্রশাসন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতন ও সক্রিয় অংশগ্রহণই ডেঙ্গু প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এসএ/সিলেট